islamkingdomfaceBook islamkingdomtwitter islamkingdomyoutube


হে প্রিয় নবী! যখন তোমরা স্ত্রীলোকদের তালাক দাও তখন তাদের তালাক দিয়ো তাদের নির্ধারিত দিনের জন্য, আর ইদ্দতের হিসাব রেখো, আর তোমাদের প্রভু আল্লাহ্‌কে ভয়-ভক্তি করো। তোমরা তাদের বের করে দিও না তাদের থাকা-ঘর থেকে, এবং তারাও যেন বেরিয়ে না যায় যদি না তারা স্পষ্ট অশ্লীলতায় লিপ্ত হয়ে থাকে। আর এগুলোই আল্লাহ্‌র সীমা। আর যে কেউ আল্লাহ্‌র বিধান লংঘন করে সে তো তবে নিজের অন্তরা‌ত্মার প্রতি অন্যায় করেই ফেলেছে। তুমি জানো না, হয়ত আল্লাহ্ এর পরে কোনো উপায় করে দেবেন।

তারপর যখন তারা তাদের ইদ্দতকালে পৌঁছে যায় তখন হয় তাদের রেখে দেবে ভালভাবে অথবা তাদের ছাড়াছাড়ি করে দেবে ভালভাবে, আর তোমাদের মধ্যে থেকে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী করো, আর তোমরা আল্লাহ্‌র উদ্দেশ্যে সাক্ষ্য কায়েম করবে। এইভাবেই এর দ্বারা তাকে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে যে আল্লাহ্‌তে ও আখেরাতের দিনে বিশ্বাস করে। আর যে কেউ আল্লাহ্‌কে ভয়-ভক্তি করে তার জন্য তিনি বেরুবার পথ করে দেন।

আর তিনি তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করেন এমন দিক থেকে যা সে ধারণাও করে নি। আর যে আল্লাহ্‌র উপরে নির্ভর করে -- তার জন্য তবে তিনিই যথেষ্ট। নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ তাঁর উদ্দেশ্য পরিপূর্ণকারী। আল্লাহ্ নিশ্চয়ই সব-কিছুর জন্য এক পরিমাপ ধার্য করে রেখেছেন।

আর তোমাদের নারীদের যারা ঋতু সন্বন্ধে হতাশ্বাস হয়েছে, যদি তোমরা সন্দেহ কর তাহলে তাদের ইদ্দত হবে তিন মাস, আর তাদেরও যারা ঋতুমতী হয় নি। আর গর্ভবতী নারীরা -- তাদের সময়সীমা হচ্ছে যে তারা যেন তাদের গর্ভ নামিয়ে ফেলে। আর যে কেউ আল্লাহ্‌কে ভয়-ভক্তি করে, তিনি তার কাজকর্ম তার জন্য সহজ করে দেবেন।

এইটিই আল্লাহ্‌র বিধান -- তোমাদের কাছে তিনি এ অবতারণ করেছেন। আর যে কেউ আল্লাহ্‌কে ভয়-ভক্তি করে তার থেকে তিনি তার পাপসমূহ মোচন করবেন, আর তার জন্য প্রতিদান বাড়িয়ে দেবেন।