islamkingdomfaceBook islamkingdomtwitter islamkingdomyoutube islamkingdomnew


তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস করঃ কার সাক্ষ্য সবচেয়ে বেশি গণ্য? তুমি বলে দাওঃ আমার ও তোমাদের মধ্যে আল্লাহই হচ্ছেন সাক্ষী, আর এই কুরআন আমার নিকট অহীর মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে, যেন আমি তোমাদেরকে এবং যাদের নিকট এটি পৌঁছবে তাদের সকলকে এর দ্বারা সতর্ক করি। বাস্তবিকই তোমরা কি এই সাক্ষ্য দিতে পার যে, আল্লাহর সাথে অন্য কোন মা‘বূদ রয়েছে? তুমি বলঃ আমি এই সাক্ষ্য দিতে পারিনা। তুমি ঘোষণা করঃ তিনিই একমাত্র ইলাহ, আর তোমরা যে শিরকে লিপ্ত রয়েছ, আমার সাথে ওর কোনই সম্পর্ক নেই।

যাদেরকে আমি কিতাব দান করেছি, তারা রাসূলকে এমনভাবে জানে ও চিনে, যেরূপ তারা নিজেদের সন্তান-সন্ততিদেরকে জানে ও চিনে, কিন্তু যারা নিজেদেরকে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিয়েছে তারা ঈমান আনবেনা।

যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি মিথ্যা দোষারোপ করে, কিংবা আল্লাহর আয়াতসমূহকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে, তার চেয়ে বড় যালিম আর কে হতে পারে? এরূপ যালিম লোক কক্ষনোই সাফল্য লাভ করতে পারবে না।

সেই দিনটিও স্মরণযোগ্য যেদিন আমি সকলকে একত্রিত করব, অতঃপর যারা আমার সাথে শির্‌ক করেছে তাদেরকে আমি বলবঃ যাদেরকে তোমরা মা‘বূদ বলে ধারণা করতে তারা এখন কোথায়?

তখন তাদের এ কথা বলা ব্যতীত আর কোন কথা বলার থাকবেনা, তারা বলবেঃ আল্লাহর শপথ, হে আমাদের রাব্ব! আমরা মুশরিক ছিলামনা।

লক্ষ্য কর, তারা নিজেদের সম্পর্কে কিরূপ মিথ্যা বলছে! তখন যাদেরকে তারা মিথ্যা মা‘বূদ মনোনীত করেছিল তারা সবাই নিরুদ্দেশ হয়ে যাবে।

তাদের মধ্যে এমন লোকও রয়েছে যারা মনোযোগ সহকারে কান লাগিয়ে তোমার কথা শুনে থাকে, (অথচ গ্রহণ করেনা) তোমার কথা যাতে তারা ভাল রূপে বুঝতে না পারে সেজন্য আমি তাদের অন্তরের উপর আবরণ রেখে দিয়েছি এবং তাদের কর্ণে কঠিন ভার (বধিরতা) অর্পণ করেছি। তারা যদি সমস্ত নিদর্শনও অবলোকন করে তবুও তারা ঈমান আনবেনা, এমনকি যখন তারা তোমার কাছে আসে তখন তোমার সাথে অর্থহীন বির্তক জুড়ে দেয়, আর তাদের কাফির লোকেরা (সব কথা শোনার পর) বলেঃ এটা প্রাচীন কালের লোকদের কিস্সা কাহিনী ব্যতীত আর কিছুই নয়।

তারা নিজেরাতো তা থেকে বিরত থাকে, অধিকন্ত লোকদেরকেও তারা তা থেকে বিরত রাখতে চায়; বস্তুতঃ তারা ধ্বংস করছে শুধুমাত্র নিজেদেরকেই অথচ তারা অনুভব করছেনা।

তুমি যদি তাদের সেই সময়ের অবস্থাটি অবলোকন করতে যখন তাদেরকে জাহান্নামের কিনারায় দাঁড় করানো হবে। তখন তারা বলবেঃ হায়! কতই না ভাল হত আমরা যদি আবার দুনিয়ায় ফিরে যেতে পারতাম, আমরা সেখানে আমাদের রবের নিদর্শনসমূহকে অবিশ্বাস করতামনা এবং আমরা ঈমানদার হয়ে যেতাম!